গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) পোর্টাল
|
|
|
সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর), ২০২৫
সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে সুশাসন জোরদার এবং স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) অংশীজনের সাথে একটি অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর), ২০২৫ প্রণয়ন করেছে এবং তা কার্যকর করা হয়েছে। সংশোধিত সরকারি ক্রয় আইন (পিপিএ), ২০০৬-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংশ্লিষ্ট বিধানসমূহ হালনাগাদ করার উদ্দেশ্যে পিপিআর, ২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং আইন ও বিধিমালা উভয়ই ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রি. তারিখে একযোগে কার্যকর করা হয়েছে। নতুন পিপিআর, ২০২৫-এ মোট ১৫৪টি বিধি এবং ২১টি তফসিল রয়েছে। আইন ও বিধিমালায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনসমূহ হলো:
• জাতীয় পর্যায়ের কার্য ক্রয়ে ১০ শতাংশ (কম-বেশি) দরসীমা বাতিল।
• সকল সরকারি ক্রয়ে ই-জিপি ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা আরোপ। • চুক্তি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রকৃত সুবিধাভোগী মালিকের তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা। • টেকসই সরকারি ক্রয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবর্তন। • ক্রয় কৌশল প্রণয়নের বাধ্যবাধকতা। • ভৌত সেবা -কে স্বতন্ত্র ক্রয় শ্রেণি হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান। • ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি ও নেগোশিয়েশন -এর পরিধি সম্প্রসারণ। • বারিতকরণ বোর্ড প্রতিষ্ঠা। • সরকারি সম্পদ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত সুস্পষ্ট বিধান প্রণয়ন।
ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) সম্পর্কিত
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় ই-গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) পোর্টাল (http://eprocure.gov.bd) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথোরিটি (বিপিপিএ) কর্তৃক তৈরী, গৃহীত ও পরিচালিত। ই-জিপি সিস্টেমটি সরকারের ক্রয়কারী সংস্থা (পিএ) এবং ক্রয়কারী (পিই)-সমূহের ক্রয়কার্য সম্পাদনের জন্য একটি অনলাইন প্লাটফর্ম।
এটি একমাত্র ওয়েব পোর্টাল যেখান থেকে এবং যার মাধ্যমে ক্রয়কারী সংস্থা এবং ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানসমূহ নিরাপদ ওয়েব ড্যাসবোর্ডের মাধ্যমে ক্রয় সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করতে পারবে। ই-জিপি সিস্টেম বিপিপিএ'তে স্থাপিত ডাটা সেণ্টারে ধারণ করা হয়েছে। ইণ্টারনেট ব্যবহার করে সরকারের ক্রয়কারী সংস্থা এবং ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান ই-জিপি ওয়েব পোর্টালে প্রবেশ করতে পারবে।
সরকারী ক্রয়কাজে এই সংস্কার কার্যক্রম বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন 'পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রিফর্ম প্রজেক্ট-২' এর আওতায় সম্পাদিত হয়েছে। এই পদ্ধতি ক্রমান্বয়ে সরকারের সকল প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ব্যবহৃত হবে বিধায় এর মাধ্যমে সরকারী ক্রয় প্রক্রিয়ায় দরদাতাগণের অবাধ অংশগ্রহণ ও সমসুযোগ সৃষ্টি হবে; এবং ক্রয় প্রক্রিয়ায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।
|
|
|